ইসরাইলের রকেট হামলায় ইসরাইল-লেবানন সীমান্তে হিজবুল্লাহর ৬ সদস্য নিহত হয়েছেন। এই নিয়ে হিজবুল্লাহর ১৯ সদস্য নিহত হয়েছে বলে সংগঠনটির পক্ষে জানানো হয়েছে। আজ রোববার (২২ শে অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

স্থানীয় সময় শুক্রবার হিজবুল্লাহর ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এক ইসরাইলি সেনা কমান্ডার নিহত হন। এতে আহত হন আরও দুই সেনা। এর জবাবে পাল্টা হামলা চালায় ইসরায়েল। এতে এক দিনে হিজবুল্লাহর ৬ সদস্য নিহত হয়েছে।

ইসরায়েলের সেনাবাহিনী বলছে, তারা লেবানন থেকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের জবাবে শনিবার হিজবুল্লাহর বেশ কয়েকটি আস্তানায় হামলা চালিয়েছে। তবে হিজবুল্লাহকে নিয়ে উদ্বেগের যথেষ্ট কারণ রয়েছে। কারণ ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর হাজার হাজার রকেট এবং ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরণের ড্রোন সমন্বিত অস্ত্রের ভাণ্ডার রয়েছে এবং উত্তর ইসরায়েলে আক্রমণ চালানোর পাঁয়তারা করছে হিজবুল্লাহ।

হামাস ‘অপারেশন আল-আকসা ফ্লাড’ শুরু করলে গত ৭ অক্টোবর থেকে ইসরায়েলি বোমাবর্ষণ ও অবরোধের অধীনে রয়েছে গাজা। হামলার কারণ হিসেবে হামাস জানিয়েছিল, আল-আকসা মসজিদে হামলা ও ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের ক্রমবর্ধমান সহিংসতার প্রতিশোধ হিসেবে এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এরপর ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী গাজা উপত্যকায় হামাসের লক্ষ্যবস্তুগুলোর বিরুদ্ধে ‘অপারেশন সোর্ডস অব আয়রন’ শুরু করে।

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় এক হাজার ৭৫৬ শিশু ও এক হাজার নারীসহ কমপক্ষে চার হাজার ৩৮৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে ইসরায়েলে এই সংখ্যা এক হাজার ৪০০ জনেরও বেশি।